1. live@www.dailychattogramdarpan.com : দৈনিক চট্টগ্রাম দর্পণ : দৈনিক চট্টগ্রাম দর্পণ
  2. info@www.dailychattogramdarpan.com : দৈনিক চট্টগ্রাম দর্পণ :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও কো-অর্ডিনেটর হলেন ডা. মোহাম্মদ হাশেম চট্টগ্রাম বন্দরে বদলি-পোস্টিং ঘিরে প্রশ্ন ঘটনার সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না, রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতেই আসামি করা হয়েছে বোয়ালখালীতে হাত-চোখ বেঁধে তিন পরিবারে ডাকাতি ইসিতে নিবন্ধন পেল গণ অধিকার পরিষদ বিএনপির মধ্যে লুকিয়ে থাকা মুনাফিক ও আ’লীগের দালালদের চিহ্নিত করতে হবে। —–এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী স্বৈরাচার হাসিনাসহ ৪০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা বিনোদন জগতে নতুন মাত্রা হারুনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাউজানে ফজলে করিম ও ফারাজ করিমসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রাম বন্দরে বদলি-পোস্টিং ঘিরে প্রশ্ন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২৭ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বন্দরে বদলি-পোস্টিং ঘিরে প্রশ্ন
চট্টগ্রাম বন্দরে বদলি-পোস্টিং ঘিরে প্রশ্ন




চেয়ারম্যানের জিজ্ঞাসাবাদের পর কর্মকর্তা বরখাস্ত, পুনর্বহালেও কাটেনি রহস্য

চট্টগ্রাম দর্পণ | নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম বন্দরে এক কর্মচারীর বদলি ও পরবর্তী পোস্টিংকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই ঘটনাকে ঘিরে সংস্থাপন শাখার কর্মকর্তা জাফর আহমেদকে বরখাস্ত এবং পরে পুনর্বহালের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অভিযোগ থেকে জানা যায়, সাজ্জাদুল ইসলাম নামে এক কর্মচারীকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করে তাকে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের এপিএস এফসিএল শাখায় পোস্টিং দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
চেয়ারম্যানের প্রশ্ন, এরপরই ব্যবস্থা
অভিযোগ অনুযায়ী, বিষয়টি বন্দর চেয়ারম্যানের নজরে এলে তিনি সরাসরি পরিচালক (ট্রাফিক) গোলাম মো. সারওয়ারুল ইসলামকে প্রশ্ন করেন—সাজ্জাদুল ইসলামকে ঢাকায় বদলি করা হয়নি কেন?
এরপর বিষয়টির দায় সংস্থাপন শাখার কর্মকর্তা জাফর আহমেদের ওপর দেওয়া হয় এবং তাকে বরখাস্ত করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তবে এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, জাফর আহমেদের আদৌ কোনো কর্মচারীর বদলি বা পোস্টিংয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশাসনিক ক্ষমতা ছিল কি না।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সাজ্জাদুল ইসলামের বদলি-সংক্রান্ত ফাইলে পরিচালক (ট্রাফিক) গোলাম সারওয়ারের অনুমোদন বা সম্পৃক্ততা ছিল। ফলে চেয়ারম্যানের জিজ্ঞাসাবাদের পর কেন সংস্থাপন শাখার একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলো—তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ঘুষের অভিযোগ, প্রমাণ কোথায়?
সাজ্জাদুল ইসলামের বদলি ও পরবর্তী পোস্টিংকে কেন্দ্র করে ঘুষ বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা চট্টগ্রাম দর্পণ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
অভিযোগটি যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট বদলি ফাইল, অফিস আদেশ, অনুমোদন এবং কোনো তদন্ত হয়ে থাকলে তার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
বরখাস্তের পর পুনর্বহাল
জাফর আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে পুনরায় চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়েছে।তবে বরখাস্ত ও পুনর্বহালের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া বক্তব্য দিতে পারবেন না বলে জানান।
অন্যদিকে পরিচালক (ট্রাফিক) গোলাম সারওয়ারের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জানতে বলেন।পরে সংশ্লিষ্ট বন্দর শাখার কাছে জানতে চাইলে তারা এ বিষয়ে অবগত নন বলে জানান।
গোলাম সারওয়ারকে ঘিরে আরও অভিযোগ
পরিচালক (ট্রাফিক) গোলাম মো. সারওয়ারুল ইসলামকে ঘিরে আরও কিছু অনিয়মের অভিযোগ ও দাবি পাওয়া গেছে। তাঁর নিয়োগ, চাকরিচ্যুতি এবং পরবর্তীতে পুনর্বহাল নিয়েও বিভিন্ন বক্তব্য রয়েছে।এছাড়া একজন সাবেক প্রভাবশালী মন্ত্রীর আত্মীয় এবং তাঁর সুপারিশে নিয়োগ পাওয়ার যে দাবি করা হচ্ছে, তারও নথিভিত্তিক যাচাই প্রয়োজন।দুর্নীতির অভিযোগে চাকরিচ্যুতি এবং পরবর্তীতে বিশেষ সম্পর্কের মাধ্যমে পুনর্বহালের যে দাবিও রয়েছে, সেগুলোর পক্ষে নির্ভরযোগ্য সরকারি নথি ছাড়া নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।চট্টগ্রাম দর্পণ এসব দাবিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে নয়, যাচাইসাপেক্ষ অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করছে।
তদন্তের দাবি।সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হলে সাজ্জাদুল ইসলামের বদলি ও পোস্টিংয়ের প্রকৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী, জাফর আহমেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণ এবং পরবর্তীতে তার পুনর্বহালের প্রক্রিয়া স্পষ্ট হতে পারে।বিশেষ করে বদলি-সংক্রান্ত মূল ফাইলে কার অনুমোদন ছিল এবং কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন—তা নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া প্রয়োজন।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পরিচালক (ট্রাফিক) গোলাম মো. সারওয়ারুল ইসলামের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য প্রতিবেদনে যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
চট্টগ্রাম দর্পণের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। সরকারি নথি, অফিস আদেশ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের অতিরিক্ত বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: Dream Shoot Media Center